
হারুনার রশীদ, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি :
সদর পশ্চিম অঞ্চলের ২০ নং আন্ডারচর ইউনিয়নের এর পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলাবাজার সংলগ্ন হোরণের বাড়িতে শনিবার ২৯ নভেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটায় ভূমিদস্যু ও লুটতরাজকারী বাড়ির চারিদিকে কালো পর্দা লাগিয়ে অনধিকার প্রবেশ করে মহিলা-পুরুষকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে ঘর থেকে নগদ দুই লক্ষ টাকা স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। হোরণের পরিবারের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে দস্যুরা এলোপাথাড়িভাবে গুলি বর্ষন করে এবং ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। অল্প সময়ে পুরো ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এতে হোরণের প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। দস্যদের হাতে অন্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ব্যাপারে হোরণ বাদী হয়ে সুধারাম থানায় মামলা রুজু করেন যা প্রক্রিয়াধীন। সংবাদ পেয়ে সুধারাম থানার পুলিশ ও সদর সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ১ নং চরমটুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিনের পুত্র শাকিল এর সাথে ভুক্তভোগী হোরণের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শাকিলের নেতৃত্বে পূর্ব মাইজচরা গ্রামের মোঃ হাসান, ডাকাত মাহফুজ, জসিম, সোহাগ, নুর উদ্দিন, হোসেন, কাশেম, বেলাল, নিজাম, ফারুক, আরশাদ, সুমন ও কাইয়ুমসহ ৩০ থেকে ৪০ জন এই অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজের ঘটনা ঘটায়। সম্প্রতি হাসান ও মাহফুজ ভুক্তভোগী হারুন এর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া যায়। সন্ত্রাসীদের ভয়ে ভুক্তভোগী হোরণসহ তার পরিবার বর্তমানে সংকটাপন্ন।
আপনার মতামত লিখুন :