প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মাইজদী সদর হাসপাতাল রোডে চাপাতির কোপে আহত ২

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর :
মাইজদী সদর হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা মো. আবদুর রহিম ও তার বড় মেয়েকে চাপাতির আঘাতে আহত করে ভাতিজা পারভেজ।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) হাসপাতাল রোডের গ্রামীণ জেনারেল হসপিটালের পেছনে আবদুর রহিমের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আবদুর রহিম গ্রামীণ হাসপাতালের ভবনের অংশীদার। আগে বিভিন্ন ব্যবসায়ে জড়িত ছিলেন। তার নিকট হতে ছোটো মেয়ে লিজা জায়গা কিনে ভবন তৈরি করতে গেলে তার ভাই (মেয়ের চাচা) আবদুর রব লিটন ভাইজির সাথে ঝামেলা শুরু করে। তার টিনের ঘর ভবন নির্মাণ করতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে টাকা দাবি করেন। এ বিষয়ে সমঝোতা করে দুই বারে মিলে তারা ৫০ হাজার ও ২০ হাজার, মোট ৭০ হাজার টাকা চাচা আবদুর রব লিটনকে প্রদান করেন।

পরবর্তীতে তারা ভবনের তিনতলার কাজ শুরু করলে আবারও নতুন করে টাকা চান। আগেরদিন সন্ধ্যায় লিটনের মেয়ে ২ লাখ ও ছেলে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। এতে আবদুর রহিমের পরিবার বারবার তাদেরকে টাকা দিতে অস্বীকার করে। পরদিন তাদের মধ্যে ভীষণ ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে লিটনের বড় ছেলে পারভেজ চাপাতি নিয়ে আঘাত করে। ছোট ছেলে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে আসে। এতে আবদুর রহিম নাকে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং তার বড় মেয়ে লিপির মাথায় ও হাতের দুই আঙুলে চাপাতির কোপ লাগে।

পরে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাদেরকে দ্রুত ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কাটা আঙুলের উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুর রহিমের জামাতা সহিদ উল্লাহ বলেন, আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। হামলাকারীরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তিনি অতি দ্রুত সুধারাম মডেল থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর