
উপজেলা প্রতিনিধি, সদর :
দীর্ঘ ২৩ বছর পর নোয়াখালীতে আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজনৈতিক সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জানুয়ারি তিনি নোয়াখালী আসবেন। এর আগে ২০০৩ সালে নির্বাচনী সফরে নোয়াখালী এসেছিলেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে তাঁর নোয়াখালী আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শাহজাহান।
তিনি বলেন, আগামী ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি তারেক রহমানের চট্টগ্রাম বিভাগ সফরের কর্মসূচি রয়েছে। ওই সফরের অংশ হিসেবে এক দিন তিনি নোয়াখালীতে আসবেন। প্রাথমিক ভাবে ২৫ জানুয়ারি তার সফরের সম্ভাবনা বেশি। তিনি জানান, এ উপলক্ষ্যে নোয়াখালী শহিদ ভুলু স্টেডিয়ামকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যানের নিরাপত্তা বাহিনী সিএসএফ মাঠ পরিদর্শন করেছে।
মো. শাহজাহান আরও বলেন, তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নোয়াখালীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সার্বিক আয়োজন এগিয়ে চলছে। নেতার বক্তব্য শোনার জন্য নোয়াখালীবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হবে। এর আগের রাতে তারেক রহমান সিলেটে পৌঁছাবেন। পরদিন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচার শুরু করে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
তিনি আরও বলেন, দেশে ফেরার পর এটি হবে ঢাকার বাইরে তারেক রহমানের প্রথম সফর। সিলেট থেকে তিনি কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুর হয়ে ঢাকায় ফিরবেন। যেহেতু নোয়াখালী বিএনপির ঘাটি তাই লাখো মানুষ তার বক্তব্য শোনার জন্য সমবেত হবে বলে আমরা আশাবাদী।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ আজাদ বলেন, চেয়ারম্যানের আগমনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন। এই মহাসমাবেশ নোয়াখালীর রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় সূচনা করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। জনসভায় সর্বোচ্চ লোকসমাগম নিশ্চিত করার পাশাপাশি আয়োজন সফল করতে দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
জেলা বিএনপির সদস্য ওমর ফারুক টফি বলেন, তারেক রহমানের নোয়াখালী আগমন নেতাকর্মীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও অনুপ্রেরণামূলক ঘটনা। দীর্ঘদিন পর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি তৃণমূল পর্যায়ে নতুন গতি ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করবে।
আপনার মতামত লিখুন :