• ঢাকা
  • শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ৭ নভেম্বর, ২০২৩

চাটখিলে মডেল মসজিদ নির্মাণে কাজ দ্রুত গতিতে চলছে

মোহাম্মদ আমান উল্যা, প্রতিনিধি, চাটখিল : চাটখিলে দ্রুত গতিতে চলছে মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের কার্যাদেশ দেওয়া দেশের মসজিদগুলো ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সম্প্রতি অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলেও নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় চুক্তিমূল্যে কাজ শেষ করতে লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

গণপূর্ত বিভাগের নোয়াখালী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর নোয়াখালী জেলা পর্যায়ে ১টি ও নয়টি উপজেলায় নয়টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ের মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নির্মাণকাজ উদ্ভোধন হয়ে গেছে। তবে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি, সূবর্ণচর, বেগমগঞ্জ, কোম্পানিগঞ্জ, সেনবাগ এর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়ে উদ্ভোধন হয়েছে এর অনেক আগেই। বাকি গুলো শুরু করে ফেলে রেখেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। দুটি উপজেলায় কাজ শেষ প্রান্তে রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে তিন তলা ভবনে মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৫০ লাখের বেশি এবং জেলা পর্যায়ে চার তলা ভবনে মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি।

স্থানীয় লোকজন বলেন, কার্যাদেশ পাওয়ার পর কাজ শুরু করলে চুক্তিমূল্যে কাজ করে লোকসান গুনতে হতো না। এখন রড, পাথর ও সিমেন্টের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ঠিকাদার কাজ করলে লোকসানের মুখে পড়তে পারেন। যে কারণে মসজিদগুলোর কাজ বাস্তবায়ন নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

চাটখিলের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রধান নাছির উদ্দিন এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে, তিনি দেরি হওয়ার কোন কারন না জানিয়ে আশ্বাস দিয়ে বলেন, আগামী ডিসেম্বর ২০২৩ সালের মধ্যেই কাজ শেষ করবেন বলে আসা প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, চাটখিলের মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ ৭০% হয়েছে বলে অনুমান করা যায়। নির্মাণ শ্রমিকের সাথে কথা বললে সে জানায়, প্রথম অবস্থায় ধীর গতিতে কাজ চলছিল এখন শ্রমিক বাড়ানো হয়েছে, যতদ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

গণপূর্ত ভবনের নোয়াখালী জেলা নিবার্হী সা’দ মোহাম্মদ আন্দালিব জানান, একই সময়ে সোনাইমুড়ি, সূবর্ণচর, বেগমগঞ্জ ও চাটখিলের নির্মাণ কাজ চালু হলেও শেষ করতে পারিনি চাটখিলের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে উদ্ভোধনও হয়ে গিয়েছে সূবর্ণচর, বেগমগঞ্জ, কোম্পানিগঞ্জ, সেনবাগ এর মডেল মসজিদ। কাজের ধীর গতি থাকায় চাটখিলের টেন্ডারটি বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর