• ঢাকা
  • সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৪ মে, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬

মাইজদীতে হামের উপসর্গে প্রথম শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি শতাধিক

নুশরাত রুমু, সদর : মাইজদীতে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমবারের মতো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। মৃত সামিত (৬) জেলার সুবর্ণচর উপজেলার কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, “বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ১০৪ জন শিশু ভর্তি রয়েছে।”

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, শনিবার বিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার সময় তার তীব্র শ্বাসকষ্ট ছিল এবং আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন ছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউ-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পরিবারটি তা করতে পারেনি। পরে রোববার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে হাম ও ডায়রিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে ৯৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪০ জন।

রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তীব্র শয্যাসংকটের কারণে একই ওয়ার্ডে হাম ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে সংক্রামক দুই রোগের রোগীদের একসঙ্গে রাখার ফলে ক্রস-ইনফেকশনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশুদের অভিভাবকদের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বেশির ভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া জেলার প্রধান এই হাসপাতালে শিশুদের জন্য কোনো আইসিইউ–সুবিধা না থাকায় সংকটাপন্ন শিশুদের অনিশ্চয়তার মধ্যে ঢাকায় নিতে হয়।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর