প্রকাশিত: ১ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১ আগস্ট, ২০২৬

নোয়াখালীতে ধর্মীয় সমাবেশ ঘিরে উসকানি ও শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ, নিরাপত্তা চাইল হেযবুত তওহীদ

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার : জেলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত একটি ধর্মীয় সমাবেশে প্রশাসনের আরোপিত শর্ত লঙ্ঘন করে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, মিথ্যাচার ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংগঠনের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) হেযবুত তওহীদের জেলা সভাপতি রিপন হোসেন স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ধর্মীয় সমাবেশে জেলা পুলিশের অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও আয়োজকরা সেই শর্ত অমান্য করে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।

সংগঠনটির দাবি, গত ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন মসজিদে তাদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বয়ান দেওয়া হচ্ছে এবং মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যসংবলিত হ্যান্ডবিল বিতরণ করা হয়েছে। এতে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হেযবুত তওহীদ ইসলামের আকিদা-বিশ্বাসে আস্থাশীল একটি সংগঠন হলেও তাদের ‘কাফের’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংগঠনটির দাবি, গত ৩১ বছরে বিভিন্ন মামলায় তারা আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছে এবং কখনো আইন অমান্য করেনি।

এছাড়া ২০১৬ সালে সোনাইমুড়ীতে সংগঠনের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের বাড়িতে হামলার ঘটনা এবং সংগঠনের দুই সদস্য নিহত হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়, সাম্প্রতিক উসকানিমূলক বক্তব্য ও হুমকির কারণে সদস্যরা আবারও জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন করে উসকানিমূলক বক্তব্য ও হত্যার হুমকি প্রদানকারীদের এবং আয়োজকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, সারাদেশে হেযবুত তওহীদের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সোনাইমুড়ীর পোরকরা এলাকায় সংগঠনের ইমামের বাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদার করা, অভিযোগের জবাবে পাল্টা সমাবেশের অনুমতি প্রদান এবং প্রচারিত হ্যান্ডবিলের জবাবে সংগঠনের বক্তব্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক সহযোগিতা করা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে নোয়াখালীর প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সংগঠনটি পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর