প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২ আগস্ট, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা

বর্তমান সময়ে কম-বেশি সবাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে। শিশু এবং কিরোশরাও কিন্তু আছে এই তালিকায়। তবে বিষয়টা ভাবায় অস্ট্রেলিয়াকে তাই তারা বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের নিচের শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তবে গবেষণায় জানা গেছে, বেশির ভাগ কিশোর-কিশোরী এখনো নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে।

দেশটির ই-সেফটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরও অস্ট্রেলিয়ার ১০ জন কিশোরের মধ্যে ৮ জনের বেশি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে। এতে আইন বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

শিশু ও কিশোরদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব কমাতে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই আইন কার্যকর করে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ উদ্যোগ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই এই আইনের সমালোচনা করে আসছে।

গবেষণার ফল প্রকাশের পর অস্ট্রেলিয়ার উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা, দাতব্য ও ট্রেজারি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি বলেন, এই আইন সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষ্য, এটি অভিভাবকদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু করেছে এবং ইতোমধ্যে লাখ লাখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা কখনোই শতভাগ আইন মানার আশা করিনি। যেমন ন্যূনতম মদ্যপানের বয়সসংক্রান্ত আইনেও শতভাগ অনুসরণ হয় না। তারপরও জনস্বার্থে এমন আইন প্রয়োজন। অন্যদিকে, গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার প্রায় আগের মতোই রয়েছে। এছাড়া সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতনতাও আগের তুলনায় কমেছে।

চলতি বছরের মার্চে প্রকাশিত প্রাথমিক প্রতিবেদনের সঙ্গে নতুন গবেষণার ফল মিল রয়েছে। এরই মধ্যে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আইন না মানলে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়ার সরকার।

সূত্র: রয়টার্স

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর