• ঢাকা
  • শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ছাত্রলীগ সভাপতির আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ভাইরাল

স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইমদাদুল হক শিহাবের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এছাড়াও মদের বোতল ও নেশা করার ছবিও ভাইরাল হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে ১৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে মো. ইমদাদুল হক শিহাবকে সভাপতি ও মাহাদী হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেন।

আট সেকেন্ডের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইমদাদুল হক শিহাব মদের বোতল থেকে মদ কোকের বোতলে ঢালছেন। এসময় পাশে থাকা একজন বলছেন ‘এই দেখুন বড় বড় মদারুরা চালানের জন্য মাল ভরছেন কোকের বোতলে’। এছাড়াও সিগনেচার ব্রান্ডের মদের বোতলের সাথে তোলা হাস্যজ্বল ছবি ও নেশা করার ছবি ভাইরাল হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য বলেন, সভাপতি মো. ইমদাদুল হক শিহাবের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। সে কিছুদিন আগেও হল শাখার সভাপতি আল মাসুদুর রহমান সোহেলের রুমের তালা ভেঙে রুম দখল করে। এনিয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

এবিষয়ে আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইমদাদুল হক শিহাব বলেন, আমি নেশা করি না। মজার ছলে ছবি ভিডিও করা হয়েছে। এসবের মধ্যে আমি নাই। আমি ক্যাম্পাসের শান্তির জন্য শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ কর্মের সাথে জড়িত। কিছুদিন আগে হল শাখার সভাপতি আল মাসুদুর রহমান সোহেলের সাথে আমার ঝামেলা হয়েছে। সে অভিযোগ দিয়েছিলো তবে সেটার মিমাংসা হয়েছে। তার হল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। আমাদের শিক্ষকবৃন্দ সমাধান করেছেন। এখন আবার এসব বিষয় নিয়ে নিউজ হলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

হল শাখার সভাপতি আল মাসুদুর রহমান সোহেল বলেন, আমার সাথে মিমাংসা হয়েছে। ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইমদাদুল হক শিহাবের যেসব ভিডিও ছবি ভাইরাল হয়েছে তা সুপার এডিট। আমি আর হলে থাকিনা। আমাদের হল শাখাও বিলুপ্ত হয়েছে। নতুন কমিটি দেওয়া হবে।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিদর্শক মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। অভিযোগের দায়িত্বে কে আছেন তা আমি বলতে পারছিনা। যদি জানতাম কোন অফিসার বিষয়টি তদন্ত করছে তাহলে আপনাকে জানাতে পারতাম।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর