• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০২৪

নোবিপ্রবিতে রমজানের প্রথমদিনে ‘গণ ইফতার’ কর্মসূচি পালন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, নোবিপ্রবি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ইফতার পার্টির ওপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে রমজানের প্রথমদিনে ‘গণ ইফতার’ কর্মসূচি পালন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) আসরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ইফতার কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় কুরআন তেলাওয়াত এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ইফতার পার্টির ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে হাজার বছরের বাঙালি মুসলিম সংস্কৃতির ওপরে নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে প্রথম রমজানে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণইফতার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা।

এর আগে সোমবার প্রশাসন ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ইফতার পার্টির আয়োজন না করার নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ জারি করে।
নোবিপ্রবিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইফতার পার্টি আয়োজন করা যাবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল ব্যবহার করে ইফতার পার্টি আয়োজন করা যাবে না।

নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ইফতার পার্টি আয়োজন না করার নির্দেশনা প্রসঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ দিদার উল আলম বলেন, যাতে করে পবিত্র মাহে রমজানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়, শান্তি-শৃঙ্খল পরিবেশে যেন এ রমজান অতিবাহিত হয়— সরকার আসলে সেটিই চাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ইফতার পার্টির নামে কেউ যেন উশৃঙ্খলতা-অরাজকতা করতে না পারে, এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে ঘিরে অনেকের অনেকরকম উদ্দেশ্য থাকে, তারা এসব অনুষ্ঠানের সুযোগ নিতে পারে।’

নোবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে নজরদারি রয়েছে, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আর যারা সুষ্ঠু পরিবেশে রোজা রাখবে, নামাজ পড়বে, ইফতার করবে— তাদের বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ বিষয়ে তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্টো সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে।
বড় পরিসরে ইফতার আয়োজনের বিষয়ে নোবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, এ ধরনের বড় ধরনের কোনো প্রোগ্রাম করলে অবশ্যই আমাদের অনুমতি নিতে হবে। অনুমোদন সাপেক্ষে অনুষ্ঠান করা যাবে। আর আর্থিক অনুদানের বিষয়টি আগে দেখতে হবে, কি ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। এটা পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন