• ঢাকা
  • সোমবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১১ জুলাই, ২০২৪

সোনাইমুড়ীতে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মে দুদকে অভিযোগ

মোহাম্মদ হানিফ গোলজার, সোনাইমুড়ী : সোনাইমুড়ী পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্ব্যবহার, পৌর আবাসিক ভবনে থেকেও বেতনের সাথে বাড়িভাড়া ভাতা ভোগ করছেন, ঠিকাদারদের বিল প্রদানে ঘুষ গ্রহণ সহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ নোয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অফিসে জমা দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সোনাইমুড়ি পৌরসভার বিভিন্ন মহাল ইজারায় ১৪২৪, ১৪২৫ ও ১৪২৬ বঙ্গাব্দে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তহবিলে জমা না দিয়ে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

কিন্তু ইজারাদারগণ সকল টাকাই পরিশোধ করেছেন। পৌরসভায় অডিটে সুকৌশলে পাশকাটিয়ে পার পেয়ে যান তিনি।

তিনি ২০০৪ সালে সোনাইমুড়ী পৌরসভায় চাকুরী নেন। পরে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া পৌরসভায় বদলি হলেও সেখানে দূর্নীতির দায়ে ২০১৩ সালে পূনরায় বদলি হয়ে সোনাইমুড়ী পৌরসভা যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি নিজ এলাকার পৌরসভা কচুয়া এবং ওরা সবাই চাকরি কালে বেপরোয়া দুর্নীতির কারণে সেখানেও টিকতে পারেননি। দ্বিতীয় দফায় দশ বছর একই কর্মস্থলে অবস্থান করায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না ২০১৯ সালে তিনি দাউদকান্দি পৌরসভায় বদলি আদেশ হলেও চোদান না করে মন্ত্রণালয়ের আদেশ অমান্য করে এখনো পর্যন্ত সোনাইমুড়ি পৌরসভায় রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে তিনি সোনাইমুড়ি পৌরসভার আবাসিক ভবনে বসবাস করেও পাশে বেতনের সাথে আরে টাকা উত্তোলন করেন ভবনের বিদ্যুৎ বিলের টাকাও দিতে হয় অফিস থেকে।

এছাড়া লিখিত ওই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে বিল আটকে রেখে কমিশন বাণিজ্য। পৌর কর্মচারীদের কাছ থেকে মাসিক উৎকোচ গ্রহণ এবং কর্মচারীদের এসিয়ারের বিষয়ক অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

নামপ্রকাশ না করার শর্তে পৌর সভার এক কর্মচারী জানান, পৌর নির্বাহী ঠিকাদারকে কাজের বিল ও অফিসের প্রায় সকল ফাইলে টাকা ছাড়া সই করেননা। কর্মচারীদের মাসিক বেতন থেকেও ঘুষ দিতে হয় তাকে। কর্মচারীদের বিনা কারণে হয়রানি করে থাকেন তিনি।

এবিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, ঘটনাটি সাবেক মেয়র মোতাহের হোসেন মানিকের সময়ের। তখন মেয়র কি করেছেন তা তিনি জানেন না। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, দুদকে অভিযোগ হয়েছে তিনি শুনেছেন।

পৌর মেয়র নুরুল হক চৌধুরী বলেন, এসব অনিয়ম তার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে হয়নি। অডিটে এধরণের অনিয়ম ধরা পড়েনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।

নোয়াখালী জেলা দূর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদের বক্তব্য নিতে তার অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। অফিস সহকারী জানান তিনি ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছেন।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর