
তিন বছরের বেশি সময় আগে পৃথিবী ছেড়ে অনন্তলোকে পাড়ি জমিয়েছেন অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস। প্রায় দেড় যুগের খেলোয়াড়ি জীবনে অনেক অর্জন ও রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার। তার তেমনই রেকর্ডের ৩০ বছর পূর্ণ হলো শনিবার।
১৯৯৫ সালের ২৩ আগস্ট শুরু হওয়া কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েছিলেন সাইমন্ডস। যা টিকে ছিল প্রায় ২০ বছর। পরে সেটি ভেঙে দেন কলিন মুনরো। সেই রেকর্ড পরে আরও কয়েক দফায় বদলেছে।
গ্লুস্টারশায়ারের হয়ে খেলতে নেমে গ্ল্যামারগনের বিপক্ষে ম্যাচের দুই ইনিংস মিলিয়ে ২০টি ছক্কা মারেন সাইমন্ডস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তখন এটি ছিল ম্যাচে সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ড। সাইমন্ডস ভেঙেছিলেন প্রায় ৩৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড।
১৯৫৯ সালের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯টি ছক্কা মেরেছিলেন জিম স্টুয়ার্টার। ১৯৯৫ সালে সেই রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার পথে প্রথম ইনিংসে ১৬ ও দ্বিতীয়বারে ৪টি ছক্কা মারেন সাইমন্ডস।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে গ্লুস্টারশায়ারকে একাই টানেন সাইমন্ডস। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২২ চারের সঙ্গে ১৬টি ছক্কা মেরে মাত্র ২০৬ বলে ২৫৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ২০ বছর বয়সী তরুণ ক্রিকেটার। দলের আর কেউ ৫২ রানের বেশি করতে পারেনি।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডও ছিল সাইমন্ডসের ওই ১৬ ছক্কা। পরে দ্বিতীয় ইনিংসেও ঝড় তোলেন এই অলরাউন্ডার। ৮ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ৬৫ বলে তিনি করেন ৭৬ রান। তার এমন ব্যাটিংয়েই ম্যাচটি ড্র করতে পারে গ্লুস্টারশায়ার।
প্রায় ২০ বছর পর ২০১৫ সালের মার্চে সাইমন্ডসের রেকর্ড ভেঙে দেন কলিন মুনরো। প্লাংকেট শিল্ডের ম্যাচে অকল্যান্ডের হয়ে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে মাত্র ১৬৭ বলে ২৮১ রানের ইনিংস খেলার পথে ১৭টি চারের সঙ্গে ২৩টি ছক্কা মারেন মুনরো।
এখন অবশ্য মুনরোর দখলেও নেই এই রেকর্ড। বর্তমানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ম্যাচে বা ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক তন্ময় আগারওয়াল। ২০২৪ সালে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে অরুণাচলের বিপক্ষে মাত্র ১৮১ বলে ৩৬৬ রানের ইনিংসে ৩৪টি চার ও ২৬টি ছক্কা মারেন হায়দরাবাদের ব্যাটার।
আপনার মতামত লিখুন :