• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

নোয়াখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি কেন্দ্র শহরের বাহিরে হওয়ায় অভিভাবকদের ক্ষোভ

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর :
নোয়াখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র শহরের বাইরে (নেয়াজপুর) নির্ধারণ করায় অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, শহরের নিকটবর্তী কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হরিনারায়ণপুর স্কুল ও এম এ সাত্তার স্কুলে কেন্দ্র নির্ধারণ না করে অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী স্থানে কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাতায়াতে বাড়তি ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

তাদের দাবি, কেন্দ্র নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা প্রয়োজন ছিল। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেন্দ্র নির্ধারণ সম্পূর্ণভাবে শিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়ে থাকে এবং এ ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ভূমিকা সীমিত।

এদিকে, কেন্দ্র পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনার দাবিতে কয়েকজন অভিভাবক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। দূরবর্তী কেন্দ্র হওয়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং যাতায়াতে দুর্ভোগের অভিযোগও তুলেছেন তারা। এ বছর হরিনারায়ণপুর স্কুল কেন্দ্র হিসেবে ভেন্যু না পাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, “সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকার পরও আমরা ভেন্যু পাইনি, যা দুঃখজনক।”

প্রাক্তন শিক্ষক অজয় কুমার দত্ত বলেন, “মাইজদীতে এসএসসি পরীক্ষার ইতিহাসে এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক। আমি প্রায় ১০ বছর কেন্দ্র কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আগে সবসময় শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় কেন্দ্র নির্ধারণ করা হতো। এবার এমন সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়।”

অভিভাবক আজহারুল হক অভিযোগ করেন, “আগে গার্লস স্কুলের পরীক্ষার্থীদের সিট জিলা স্কুলে পড়তো। গত কয়েক বছরের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ফলে তা শহর থেকে দূরে সরে গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি।”

আরেক অভিভাবক মিজানুর রহমান (বঙ্গবিপ্লব) ক্ষোভেমুখে বলেন, “আমাদের বাসা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে হলেও কেন্দ্র প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে। অনেক এলাকায় রাস্তার অবস্থা খারাপ। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লান্ত অবস্থায় পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। উপরন্তু সিএনজি ও অটোরিকশা ভাড়া কয়েকগুণ বেড়ে গেছে, যা অনেক পরিবারের পক্ষে বহন করা কঠিন।”
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য নোয়াখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর