• ঢাকা
  • বুধবার, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ৩ জুন, ২০২৬

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন জাদুঘরে ইশরাকের বার্তা: মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে কোনো ছাড় নয়

মোহাম্মদ হানিফ স্টাফ রিপোর্টার : মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও পরিচয়ের ভিত্তি। এটিকে খাটো করার কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করার চেষ্টা হলে দেশের মানুষ আবারও গণঅভ্যুত্থানে নামতে বাধ্য হবে।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সোনাইমুড়ী উপজেলার নন্দিয়াপাড়ায় বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে আমরা হৃদয়ে ধারণ করি। কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করার চেষ্টা করে, তাহলে দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। প্রয়োজনে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশকে অসম্মান করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।

জুলাই আন্দোলন ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একটি পক্ষ দীর্ঘদিন মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের রাজনৈতিক সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করেছে। আবার অন্য একটি পক্ষ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। তবে দেশের জনগণ সচেতন এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। জনগণই ভোটের মাধ্যমে দেশের নেতৃত্ব নির্বাচন করবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, জাতীয় পতাকা ও সার্বভৌম রাষ্ট্র আমরা পেয়েছি। তাই মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। প্রয়োজনে আরও আন্দোলন হবে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অবমূল্যায়ন করা হলে তা প্রতিহত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির নানা তৎপরতা এখনও দৃশ্যমান। তবে দেশের মানুষ ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন। মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ও আত্মত্যাগকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম, গুম, খুন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পথ তৈরি করেছে। এ আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসমাজ এবং সাধারণ মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এ.টি.এম. মোশারেফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর