প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সুবর্ণচরে বিনার কৃষক প্রশিক্ষণ, ১শ কৃষকের মাঝে বীজ ও চারা বিতরণ

উপজেলা সংবাদদাতা, সুবর্ণচর : বিনা উদ্ভাবিত ফসলের জাতের পরিচিতি, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, ফসল কর্তন ও বীজ সংরক্ষণ কৌশল বিষয়ে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশিক্ষণ শেষে ১০০ জন কৃষকের মাঝে বিনা উদ্ভাবিত সয়াবিন, বাদাম বীজ ও লেবুর চারা বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সুবর্ণচর উপজেলায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উপকেন্দ্রে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ‘বিনা উদ্ভাবিত জাত পরিচিতি, চাষাবাদ পদ্ধতি, ফসল কর্তন ও বীজ সংরক্ষণ কলাকৌশল’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বিনা উপকেন্দ্র, নোয়াখালী। এতে অর্থায়ন করে ‘বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্প ও সহযোগিতা করে সলিডারিডাড-নেটওয়ার্ক এশিয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জহির আহমেদ এবং নোয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশীষ কুমার কর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র সুবর্ণচর,নোয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মো. ইলিয়াস হোসেন, সঞ্চালনায় ছিলেন বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শাহেদ হোসেন।

প্রশিক্ষণে বিনার উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ পদ্ধতি, ফসল কর্তন এবং বীজ সংরক্ষণের আধুনিক কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য সম্ভাবনাময় বিনাসয়াবিন-৩, বিনাসয়াবিন-৫, বিনাসয়াবিন-৬, বিনাসয়াবিন-৭, বিনাচিনাবাদাম-৬, বিনাচিনাবাদাম-৮ ও বিনালেবু-১ এর জাত সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দেওয়া হয়।

এ সময় কৃষকদের বীজ নির্বাচন, জমি প্রস্তুত, বপনের উপযুক্ত সময়, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, ফসল কর্তন এবং বীজ সংরক্ষণের বিষয়ে ব্যবহারিক পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে ১০০ জন কৃষকের মাঝে বীজ ও চারা বিতরণ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষক পর্যায়ে উন্নত জাতের বীজ পৌঁছে দেওয়া এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে বীজ উৎপাদন ও কৃষকদের আয় বাড়ানো এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বক্তারা বলেন, নোয়াখালীর চর ও উপকূলীয় এলাকায় সয়াবিন, বাদাম ও লেবু চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

বিনার উন্নত জাত ও আধুনিক চাষাবাদ প্রযুক্তি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে অনাবাদি ও লবণাক্ত জমি ব্যবহারের পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন ও আয় বাড়ানো সম্ভব।

আরও পড়ুন