প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

হাতিয়ায় এমপিওভুক্তির আশ্বাসে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: হাতিয়ায় এমপিওভুক্তির আশ্বাসে এক শিক্ষকের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নন্দকুমার গার্লস হাইস্কুলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা আকরাম উদ্দিন রনির বিরুদ্ধে। এ ছাড়া ফাইল পাঠানো ও তদবিরের কথা বলে আরও দুই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক লক্ষ্মণ চন্দ্র দাস। সব মিলিয়ে ১০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এমপিওভুক্তির ফাইল বাতিল হওয়ার পর টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে চাকরিচ্যুত ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।
লক্ষ্মণ চন্দ্র দাসের দাবি, ২০২৫ সালের ১ মে এক লাখ এবং ৬ জুন চার লাখ টাকা আকরাম উদ্দিন রনিকে দেন তিনি। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক সাগর চন্দ্র দাস ও রেহানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ফাইল পাঠানো ও তদবিলের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। নিয়োগের সময়ও দুই লাখ টাকা দেওয়ার দাবি করেছেন ওই শিক্ষক।

তবে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী তাঁর পদটি মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত করার সুযোগ নেই বলে জানানো হলে টাকা ফেরত চান তিনি। জগদীশ চন্দ্র দাসের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ফেরত পেলেও আকরাম উদ্দিন রনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ লক্ষ্মণের।

অভিযোগের বিষয়ে আকরাম উদ্দিন রনি বলেন, তিনি টাকা পাওয়ার পর প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন খাতে ভাগ করে দিয়েছেন। তবে প্রধান শিক্ষক সাগর চন্দ্র দাস টাকা গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, লক্ষ্মণ নিজ উদ্যোগে এসব করেছেন। রেহানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জগদীশ চন্দ্র দাসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু ছায়েদ এমরান বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষকের টাকা ফেরত পাওয়া উচিত। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর