
মো. জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী, সেনবাগ : মঙ্গলবার (৩০ জুন) মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় শ্রমিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা রুহুল আমিন ভূঁইয়ার ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী।
১৯৮৮ সালের ৩০ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বাড়ি সেনবাগ উপজেলার ২ নম্বর কেশারপাড় ইউনিয়নের কেশারপাড় গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে। তাঁর পিতা ছিলেন আলহাজ আবদুল হাকিম ভূঁইয়া।
রুহুল আমিন ভূঁইয়া ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলনের ৭ জুনের হরতালে তেজগাঁও অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে গঠিত স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধে তিনি বিএলএফ-এর বি-জোনের জোনাল কমান্ডার হিসেবে নোয়াখালী, ফেনী, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, বেগমগঞ্জ ও দাগনভূঞা অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শ্রমিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ১৩২টি শ্রমিক ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে শ্রমিক, ছাত্র-যুবক ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ভূঁইয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী, সহযোদ্ধা ও শ্রমজীবী মানুষ। তারা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
আপনার মতামত লিখুন :