• ঢাকা
  • শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

তারাবি নামাজের নিয়ত

তারাবি বলা হয় ‘রমাজান মাসে এশার নামাজের পর বিতরের পূর্বে আদায়কৃত সুন্নত নামাজ। তবে চার রাকাত আদায়ের পর বিরতির মাধ্যমে যে বিশ্রাম নেওয়া হয় তাকেও ‘তারাবি’ বলে। শরিয়তে তারাবির নামাজের রয়েছে অনেক ফজিলত। আদায় না করলেও রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

রমজানের রোজা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। যা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। আর তারাবির নামাজ আল্লাহর রসুল সা. প্রবর্তন করেছেন। তিনি সাহাবায়ে কেরাম রা.-কে আদায়ে উৎসাহিত করেছেন।

হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রা. বলেন, রসুল সা. বলেছেন,‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের রোজা রাখা তোমাদের জন্য ফরজ করেছেন। আর আমি তোমাদের জন্য রমজান মাসব্যাপী আল্লাহর এবাদতে দাঁড়ানো সুন্নাতরূপে চালু করেছি। কাজেই যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ঈমান ও সওয়াবের আশা নিয়ে এ মাসের রোজা রাখবে ও নফল (তারাবির) নামাজ পড়বে, সে তার জন্মদিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যাবে।’ (নাসাঈ, হাদিস: ২২১২)।

তারাবির নামাজের নিয়ত

نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر (উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উসালি­য়া ল্লিলাহি তায়ালা, রাকাআ’তাই সালাতিত তারাবি সুন্নাতু রাসুল্লিলাহি তায়ালা। মুতাওয়াযজ্জিহান ইলা যিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।)

এছাড়া তারাবির নামাজ যদি জামায়াতের সঙ্গে আদায় হয় তবে বলতে হবে- ‘ইক্বতাদাইতু বি হাজাল ইমাম’।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর