• ঢাকা
  • বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১২ মে, ২০২৬

সুবর্ণচরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে আসামি হলেন পাওনাদার, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

উপজেলা প্রতিনিধি, সুবর্ণচর : সুবর্ণচরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে উল্টো দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের মামলাসহ ৪ টি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন মোহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন নামের সিভিল কাজের এক সাব-ঠিকাদার।

সঠিক ও ন্যায় বিচারের দাবীতে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি আজ দুপুরে সুবর্ণচর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ছালেহ উদ্দিন।

অভিযুক্ত পেশাগত মামলাবাজ মো. জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার চরজুবলী মধ্যপুকুরের উত্তর কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো. ছালেহ উদ্দিন একই এলাকার এস.এস কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ছালেহ উদ্দিন বলেন, আমি বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আমাকে হয়রানি করতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তারই কর্মচারী জাহাঙ্গীর। তিনি সংবাদ সন্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, আমি একজন সাব-ঠিকাদার হিসেবে আমার প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর-এর সাথে মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে পুকুর খনন ও ১ লক্ষ ঘনফুট কাজের বালি সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হই। এই কাজের জন্য তাকে অগ্রিম ৩০ লক্ষ টাকা প্রদান করি। কিন্তু সে উক্ত চুক্তির আওতায় ৫৪,৯২৩ ঘনফুট বালি সরবরাহ করে ১০ লক্ষ টাকার কাজ শেষ করে চলমান কাজ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় জাহাঙ্গীর।

আমার মালিকানাধীন এস.এস. কর্পোরেশনের স্বাক্ষর করা ডি-লিমিটেড বিল প্যাড-এ বিল লিখে জাল করে। পরে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে ২০২৩ সালের জুন মাসে আমার বিরুদ্ধে মাইজদী শহরের একটি ভুয়া ঠিকানা এবং বৈঠক দেখিয়ে মামলাবাজ জাহাঙ্গীর দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের একটি মিথ্যা মামলা করে। মামলাটি চুক্তি মোতাবেক হয়নি। আমার পাওনা টাকা না দিয়ে বাঁচার জন্য ৪/৫টি মামলা করে আমাকেই কর্মচারী প্রতারক জাহাঙ্গীর। তাছাড়া উক্ত জাহাঙ্গীর টাকা পাওনা মর্মে আমার বিরুদ্ধে কোন শালিস নামা, কোন-কালে আদালতে উপস্থাপন করতে পারে নি।”

এর পরও সামাজিক ভাবে টাকা চাইতে গেলে মানিচুট মামলা, বাড়ী ঘরে হামলার মামলা এবং বর্তমানে শালিস নামার বিরুদ্ধে আরো ৩ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানীর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন। শুধু তাই নয় উকিল নোটিশ, রেজিষ্টার্ড এ.ডি ভূয়া ঠিকানায় প্রেরণ করে আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

সালেহ উদ্দিন আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোর্রেশনের নিতীমালা অনুযায়ী জাহাঙ্গীর মানিচুটের যে মামলা করেছেন সেটার মধ্যে আমি পড়িন না, আমি একজন সাধারণ ছাপ ঠিকাদার। আমার কোন ঠিকাদারি লাইসেন্স নেই। আমার পাওনা ২২ লাখ টাকার জন্য জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দিয়েছি। সেটি পিআইবি তদন্তে পাওনা টাকা পাবে মর্মে সত্যতা মিলেছে।

প্রতারক জাহাঙ্গীর স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর পলাতক থাকলেও আমি মামলার কারণে সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমি এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর