
উপজেলা প্রতিনিধি, কোম্পানীগঞ্জ : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা উপজেলায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় মো. ইমরান হোসেন (৩০) নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ উদ্যোক্তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সরকারি ল্যাপটপ ও ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য রাখা নগদ ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়ন এর দিনার দোকান এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত ইমরান হোসেন সিরাজপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি সাজু ও হুমায়ুন কবিরের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় ইমরানের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল অভিযুক্তরা। এর জের ধরে সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে ইমরানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। এতে তার মাথা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় এবং ডান কাঁধের হাড় ভেঙে যায়।
বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইমরান হোসেন বলেন, “মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। হামলাকারীরা আমার সরকারি ল্যাপটপ ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। এখন আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা-র তদন্ত কর্মকর্তা বিমল কর্মকার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।
আপনার মতামত লিখুন :