
স্টাফ রিপোর্টার: মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নে ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরনবী (হেঞ্জু)র ওপর হামলা ও হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদসদ্যকে স্থানীয় লোকজন আটক করে। পরে তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করে জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
আটককৃত কিশোরগ্যাং সদস্যরা হলেন, চরজুবিলী এলাকার সানা উল্লাহর ছেলে হৃদয়, চরজব্বার ইউনিয়নের নিজাম উদ্দিন জাহাঙ্গীরের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (জিহাদ), চরজুবিলী এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত, হক সাহেবের ছেলে মোহাম্মদ রিয়াজ, সিরাজ উদ্দিন বাহারের ছেলে রিফাত উদ্দিন ফাহিম এবং আবুল কাশেমের ছেলে সোহরাব হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ছাতা মার্কেট এলাকার একটি সেতুর নিচে কয়েকজন কিশোরগ্যাং সদস্য মাদক সেবন করতে দেখে নুরনবী তাদের বাধা দেন। পরে তিনি পাশের একটি দোকানে গিয়ে বসেন। রাত প্রায় ১টার দিকে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে ফুটবল খেলা দেখছিলেন। এ সময় কয়েকজন কিশোরগ্যাং সদস্য তার ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে, এমন সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও যুবদল নেতা রিয়াজুল মাওলা চৌধুরী জানান,, আটক কিশোরগ্যাং সদস্যদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে থাকা কল রেকর্ড ও যোগাযোগের কিছু তথ্য পর্যালোচনা করে হামলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তাদের মোবাইল ফোনে থাকা কিছু তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সতর্ক করে জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরনবী (হেঞ্জু) বলেন, “আমি স্থানীয় দোকানে বসে খেলা দেখছিলাম, আমার ওপর পরিকল্পিত হামলা করা হবে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে কয়েকজনকে আটক করেন। তাদের মোবাইল ফোনে কিছু কথোপকথনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে আমাকে জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি চরজব্বার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহসহ এলাকার রাজনৈতিক নেতাদের অবগত করেছি। এ বিষয়ে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আপনার মতামত লিখুন :