প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৮ জুলাই, ২০২৬

রাতের অন্ধকারে সরকারি জায়গার উপর ঘর নির্মাণের চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুবর্ণচর : গতকাল দিবাগত (সোমবার) রাত সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর থানা সংলগ্ন সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট প্রধান সড়কের পাশে সরকারি রেকর্ডভুক্ত খালের জায়গা দখল করে রাতের আঁধারে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর (এসিল্যান্ড) হস্তক্ষেপে নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম নামে এক ব্যক্তি সরকারি খালের জায়গা মাটি ভরাট করে আরসিসি কাঠামোর মাধ্যমে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা চালান। একই সঙ্গে নিজের ক্রয়কৃত জমির সীমানা অতিক্রম করে পাশের আরেক ব্যক্তির জমির একটি অংশও দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে।

ভুক্তভোগীরা জানান, নির্মাণকাজে বাধা দেয়াতে  চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমাদের কে চাঁদাবাজির মামলা দেয়ার হুমকী দেন।অথচ একদিন আগে উভয়পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে চর জব্বর থনার এসআই সোহেল (নিরস্ত) এর সিদ্ধান্তের আলোকে জায়গাটি নিরপেক্ষ সার্ভেয়ার (আমিন) দ্বারা মেপে তারপর কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, সরকারি খাল দখলমুক্ত করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কালামের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে চর জববর থানার ওসি রফিকুল হাসান বলেন,আবুল কালাম তার কাজে বাধা পেয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে থনায় অভিযোগ করেছে।আমি তাকে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছি,পুনরায় বাধা দিলে মামলা নেয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারি কমিশনার ভূমি ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ছেনমং রাখাইন বলেন,অভিযোগ পাওয়ার পর রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়েছে।এবং আজ দিনের বেলা গিয়ে সরেজমিনে মেপে নির্মানধীন দোকান ঘরের সামনের ৪ফুট ভাঙ্গার নির্দেশ দেয়া হলো।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর