
উপজেলা সংবাদদাতা, কোম্পানীগঞ্জ :: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি রাজনীতিতে নির্বাচনী উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে দল পুনর্গঠন ও জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের অংশ হিসেবে চেয়ারম্যান পদের দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন উপজেলার ৮৩ জন নেতা-কর্মী।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আটটি ইউনিয়ন সিরাজপুর, চরহাজারী, চরপার্বতী, চরকাঁকড়া, চরফকিরা, রামপুর, মুছাপুর ও চরএলাহীর প্রতিটি আসনেই দলীয় প্রার্থীর তালিকায় আধিক্য দেখা গেছে। গড়ে প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ জনের বেশি পদপ্রত্যাশী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এলাকায় নিয়মিত শুভেচ্ছা বিনিময়, গণসংযোগ, তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া এবং কেন্দ্রীয় নীতি-নির্ধারকদের সুনজরে আসতে চালাচ্ছেন নানা তৎপরতা। একাধিক হেভিওয়েট নেতার মুখোমুখি অবস্থানে ইউনিয়নগুলোতে প্রতিযোগিতা ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।
উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ জানান, মনোনয়ন চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে অতীতের রাজপথের ত্যাগ, দলের প্রতি আনুগত্য, তৃণমূলের মতামত এবং এলাকায় ব্যক্তির ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও ভোটাধিকার প্রয়োগে জয়ের সম্ভাবনাকেই মূল মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিতর্কিত বা জনবিচ্ছিন্ন কাউকেই সবুজ সংকেত দেওয়া হবে না।
এ প্রসঙ্গে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক বিষয়। তবে দলের সিদ্ধান্ত মেনে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। শিগগিরই প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।
আপনার মতামত লিখুন :