• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১ মার্চ, ২০২৬

সুবর্ণচরের সীমের বিচি যাচ্ছে ইউরোপে, তবুও দুশ্চিন্তায় কৃষক ও পাইকাররা

উপজেলা প্রতিনিধি, সুবর্ণচর :
সুবর্ণচরে উৎপাদিত সীমের বিচি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এখন ইউরোপের বাজারেও রপ্তানি হচ্ছে। পাশাপাশি জেলার কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া ও সদর উপজেলার উৎপাদিত সীমের বিচিও দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। এতে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুললেও নানা প্রতিকূলতায় দিশেহারা কৃষক ও পাইকাররা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তা-ঘাটের বেহাল অবস্থার কারণে পরিবহন সংকটে পড়তে হয় পাইকারদের। নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় অনেক সময় সীম ও সীমের বিচি নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।
কৃষকদের অভিযোগ, সার, বীজ ও কীটনাশকের উচ্চমূল্য এবং নদীভাঙনের আশঙ্কা তাদের চরম উদ্বেগে রেখেছে। বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে উৎপাদন খরচের কোনো সামঞ্জস্য নেই। অনেক সময় লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
ভালো সড়ক যোগাযোগ না থাকায় বাইরের বড় ব্যবসায়ীরা সরাসরি এলাকায় আসতে পারেন না। এ সুযোগে স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে কম দামে পণ্য কিনে নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সড়ক ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে যায় এবং মাঝেমধ্যে পণ্য নষ্ট হয়ে যায়। এতে লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে সুবর্ণচরে সজন পদ্ধতিতে ৫২৫ হেক্টর জমিতে সীম চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগ নিয়মিত কৃষকদের খোঁজখবর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর