
উপজেলা সংবাদদাতা, সুবর্ণচর :: সুবর্ণচর থেকে এবার পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত রাখা ৭৬টি সুন্ধি কাছিম উদ্ধার করেছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত থেকে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এসব কাছিম উদ্ধার করা হয়। এদিকে গত কয়েক মাস আগে সুবর্ণচরে চর জব্বর থানা পুলিশ পিস কাকড়া জব্দ করার পর বন বিভাগ সে কাকড়াগুলো অবমুক্ত করেছিলো।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার ৬ নম্বর চর আমানুল্লাহ এলাকায় অভিযান শুরু হয়। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অভিযান শেষ হয়। বন অধিদপ্তরের আগারগাঁও কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে কাছিম কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দা রনি দাস ও ব্যাচা চন্দ দাসের নাম উঠে এসেছে। অভিযানে সহযোগিতা করে ‘অ্যানিমেল রাইটস বিডি ৬৪ নোয়াখালী”এবং পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া)।
বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় কাছিমের মাংসের চাহিদা রয়েছে। একটি চক্র এসব জেলায় কাছিম পাচার করে থাকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, উদ্ধার করা কাছিমগুলো ঢাকার উত্তরায় পাঠানোর পরিকল্পনা চলছিল।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা কাছিমগুলো ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিগগিরই সেগুলো উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নতুন ব্যবসা হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করেছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে। তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :