প্রকাশিত: ১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১ নভেম্বর, ২০২৬

নোবিপ্রবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, নোবিপ্রবি :: শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা চত্বরের গণহত্যার বিচারের দাবিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে নেতাকর্মীরা ‘বাংলাদেশের আজাদি, ওসমান হাদী’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’- সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সদস্যসচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা ইনকিলাব মঞ্চের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, “তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে টেকনাফ জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত লংমার্চ পদযাত্রা শুরু করেছি। আমাদের তিন দফা দাবি হলো- আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার, জুলাইয়ের গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং শাপলা চত্বর, পিলখানা ও জুলাই গণহত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।” এসব দাবি আদায়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে তিনি জানান।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্টরুম সংস্কৃতি, প্রশ্নফাঁস ও বিচারহীনতা প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, “প্রশ্নফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িতদের শাস্তির বদলে বদলি করা হচ্ছে, যা চরম অন্যায়। ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে টানা কর্মসূচি পালন করেও কাঙ্ক্ষিত বিচার মিলছে না। আমাদের এসব দাবি কোনো একক দলের নয়, আপামর দেশবাসীর।”
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রে একজন নাগরিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর বিচারের জন্য রাজপথে ঘুরতে হচ্ছে। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ আসনেই দিনেদুপুরে বাস ডাকাতি হয়, সামরিক কর্মকর্তার লাশ ভেসে ওঠে আর মিরাজ শেখের মতো নাগরিক ২০৪ দিন ধরে নিখোঁজ থাকেন, সেখানে কীভাবে এমন দাবি করা হয়? জনগণ উপযুক্ত সময়ে এর জবাব দেবে।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর