প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সেনবাগে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় কথা বলে ব্যাংক কর্মচারীকে মারধর

উপজেলা প্রতিনিধি, সেনবাগ : সেনবাগে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে কাজী মোশাররফ হোসাইন সাদ্দাম (৩৪) নামের এক ব্যাংক কর্মচারীকে মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সেনবাগ বাজারের আমির আলী মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে তার সহকর্মীরা তাকে বেগমগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত কাজী মোশাররফ হোসাইন সাদ্দাম মেঘনা ব্যাংক পিএলসির সেনবাগ শাখার সাপোর্ট স্টাফ ও উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইয়ারপুর গ্রামের কাজীমুদ্দিন বেপারি বাড়ির কাজী বাহাদুল্লাহ ছেলে।

মেঘনা ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার জহির উদ্দিন আজাদ বলেন, সাদ্দাম অফিস শেষ করে বিকেলে মোটরসাইকেলে উঠার সময় কিছু দুর্বৃত্ত তাকে তার মোটরসাইকেলের হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। তারা ফেসবুকে কেনো পোস্ট দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে জিজ্ঞাসা করে। পরবর্তীতে তার মোটরসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দিয়ে এবং তাকে মারধর করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আমরা সাদ্দামকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।

আহতের স্ত্রী মারজান আক্তার বলেন, আমার স্বামীকে প্রথমে বেগমগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তারপর সেখান থেকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার মাথায় সিটি স্ক্রিনের দেখা গেছে আঘাতের বিষয়টি। হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করায় রক্ত জমাট বেঁধেছে। আমি দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

আহত কাজী মোশাররফ হোসাইন সাদ্দাম বলেন, অতর্কিত ভাবে এসে আমার মোটরসাইকেলের হেলমেট দিয়ে আমাকে প্রচণ্ড আঘাত করে। আমাকে বলে আমি ফেসবুকে স্টাটাস দিয়েছি কেনো। তাই ১০-১৫ জন আমাকে ব্যাংকের সামনেই মারধর করেছে। আমাদের ব্যাংকের সিসি ক্যামেরায় সব রেকর্ড আছে। আমি মানুষের সাহায্য চাইলেও কেউ ভয়ে এগিয়ে আসে নাই।

মেঘনা ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজার খলিল উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ব্যাংকের সামনে ব্যাংক কর্মচারীকে এভাবে মারধর করা খুব দুঃখজনক ঘটনা। আমরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার চাই।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীর কাছে গিয়েছে। সে এখনো অভিযোগ দেইনি। যদি অভিযোগ পাই তাহলে তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করা হবে।

আরও পড়ুন

  • সেনবাগ এর আরও খবর