
হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
জাতীয় সংসদের মতো সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ জায়গায় দাঁড়িয়ে দেওয়া এক বক্তব্যেই দেশজুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছেন সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদ। তার ওই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া, যা দিন দিন আরও বিস্ফোরক রূপ নিচ্ছে।
মঙ্গলবার ৩১ মার্চ বিকালে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিএনপি এবং বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক মহলের অভিযোগ—ধর্ষণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তার মন্তব্য শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন নয়, বরং তা মানবিক মূল্যবোধের প্রতি চরম অবজ্ঞা ও সংবেদনশীলতার মারাত্মক অভাবের পরিচয় বহন করে। তারা বলছেন, এমন বক্তব্য ভুক্তভোগীদের প্রতি নির্মম উপহাসের শামিল এবং সমাজে বিকৃত বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
এছাড়া বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া তার বক্তব্যকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন, কুরুচিপূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য বলে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
রাজপথে নেমে আসা মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের কণ্ঠে ছিল তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ আর প্রতিবাদের বজ্রধ্বনি।
সমাবেশে তাদের একটাই দাবি— অবিলম্বে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে,প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে সমাবেশে ক্ষোভের ভাষা বক্তারা বলেন,
“জাতীয় সংসদ কোনো ব্যক্তির ইচ্ছামতো মন্তব্য করার জায়গা নয়—এটি জাতির সম্মান, বিবেক ও মূল্যবোধের প্রতীক। সেখানে দাঁড়িয়ে এমন দায়িত্বহীন বক্তব্য গোটা জাতিকে অপমান করার শামিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত বিতর্ক নয়—এটি পুরো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সমাজে বিভাজন আরও গভীর হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :