• ঢাকা
  • বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১০ এপ্রিল, ২০২৬

বিশ্বমঞ্চে ব্রাজিলের দাপট কমার কারণ জানালেন রোমারিও

তারকা ফুটবলের কোনো কমতি নেই। ইউরোপের জায়ান্ট সব ক্লাবে সেলেসাও তারকাদের ছড়াছড়ি। মাঠে নিয়মিত দূত্যিও ছড়ান তাঁরা। সবমিলিয়ে বিশ্বসেরা হওয়ার মতো সবকিছুই আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। তবে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চড়ালেই যেন অনেকেই খেলা ভুলে যান।

একসময় বিশ্বকাঁপানো বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দলটির সাফল্যে এখন শুধুই গল্প। পেলে থেকে রোনালদো-রোনালদিনহো-রোমারিওর সোনালি সেই ব্রাজিলকে কি আর ফিরে পাওয়া যাবে? দীর্ঘ দুই যুগ বিশ্বকাপের শিরোপার স্বাদ না পাওয়া এই দলের সমস্যা আসলে কোথায়? দলীয় রসায়নের অভাব, আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি নাকি মাত্রাতিরিক্ত চাপ?

শ্বকাপের দুই মাস আগে ব্রাজিল কিংবদন্তি রোমারিও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলের ক্রমাগত পিছিয়ে পড়া নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ’কে ব্রাজিলের পিছিয়ে পড়ার পেছনে একাধিক কারণ তুলে ধরেন ব্রাজিলের ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জয়ী ফরোয়ার্ড।

রোমরিওর মুখ থেকেই শুনে নেওয়া যাক ব্রাজিলের সমস্যাটা আসলে কোথায়, ‘কারিগরি দিক থেকে ব্রাজিল সত্যিই অনেকটা পিছিয়ে গেছে। রোনালদো, রোনালদিনহো আর রিভালদোর প্রজন্মের পর থেকেই পরিস্থিতি কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

রোমারিও যোগ করেন, ‘এরপর আমরা পুরোপুরি একজন খেলোয়াড়ের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়লাম — নেইমার। আর আমাদের তরুণরা অনেক আগেই ইউরোপে পাড়ি জমাচ্ছে, ছোট ছোট ক্লাবে গিয়ে নিজেদের ডিএনএ-ই হারিয়ে ফেলছে।’

রোমারিও আরও জানান, ব্রাজিলিয়ানদের মধ্যে জাতীয় দলের প্রতি উৎসাহ-উদ্দীপনাও আগের মতো আর নেই। তবে হতাশার মাঝেও আশার কথা শোনালেন তিনি। রোমারিওর মতে, ‘ব্রাজিল এখনও চ্যাম্পিয়ন হতে পারে — তাদের ইতিহাস আছে, অভিজ্ঞতা আছে। আর নেইমার যদি আবার ফর্মে ফিরে আসে, তাহলে তো কথাই নেই।’

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে রোমারিও ১৯৯৪ সালের ব্যালন ডি’অর না পাওয়ার আক্ষেপও প্রকাশ করেন। সেবার ইউরোপীয়রাই কেবল পুরস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হতেন, ফলে পুরস্কারটি তাঁর বার্সেলোনা সতীর্থ ক্রিস্টো স্তোইচকভের হাতে যায়, ‘আমি জানি না ১৯৯৪-এর ব্যালন ডি’অর সহজেই জিততাম কি না। তবে আমি যে একজন খুব শক্তিশালী দাবিদার হতাম, সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’

তবে স্তোইচকভের প্রতি কোনো বিরক্তি নেই রোমারিওর। তাঁর ভাষায়, ‘স্তোইচকভও সেটা পাওয়ার যোগ্য ছিল’ — আর আজও তিনি তাঁর আজীবনের বন্ধু।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর