• ঢাকা
  • সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বালু পরিবহন: কোম্পানীগঞ্জে ভেঙে পড়ল সেতু, চরম দুর্ভোগ

উপজেলা প্রতিনিধি, কোম্পানীগঞ্জ :
​​প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আর স্থানীয় সংসদ সদস্যের হুঁশিয়ারিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোম্পানীগঞ্জে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ বালু সিন্ডিকেট। এই বেপরোয়া গতির বলি হলো মুছাপুর ইউনিয়নের একটি সেতু। শনিবার গভীর রাতে উপজেলার ১নং ওয়ার্ডের সিকদার রোডে বালুবাহী একটি ড্রামট্রাকের অতিরিক্ত ওজনে সেতুটি ভেঙে পড়ে, যার ফলে ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম সম্প্রতি সংসদে বালু দস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও একটি প্রভাবশালী চক্র দিন-রাত শত শত ড্রামট্রাক দিয়ে বালু পরিবহন চালিয়ে যাচ্ছে। এই অতিরিক্ত ওজনের কারণেই মুছাপুরের সেতুটি ধসে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

সরেজমিনে দেখা যায়, কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন সড়ক এখন বালু ও কাদার মিশ্রণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ও সংস্কার করা সড়কগুলোতে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এছাড়া বালু পরিবহনের সময় ধুলাবালু উড়ে আশপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, এতে শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও নানা স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

মুছাপুর ইউনিয়নের প্রশাসক মো. তানিম রহমান জানান, ভেঙে পড়া ড্রামট্রাকটি সরিয়ে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করার কাজ চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেলে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।

ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কারণেই প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। অবিলম্বে এই সিন্ডিকেটের হোতাদের আইনের আওতায় এনে সড়ক ও জনপদ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর