
উপজেলা প্রতিনিধি, হাতিয়া : দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় জাতীয় মৎস সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে সুফলভোগীদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ হিসেবে বকনা বাছুর ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা মৎস্য ভবনের সামনে উপজেলার সুখচর ও চরকিং ইউনিয়নের ১৬জন জেলের মাঝে ১৬টি বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়। বাছুরগুলো এতোই ছোট ছিল যে বিতরণের সময়ই সুফলভোগীরা উপস্থিত আমন্ত্রিতদের সামনেই অভিযোগ করে উঠে।
উপকারভোগীদের মধ্যে অনেকে অভিযোগ করে বলেন, বাছুর গুলো অনেক দুর্বল যে, এই দুধ ছাড়া ছোট ছোট বাছুরগুলো তো ঘাস খাবে না, ঘাস না খেলেতো এগুলো মরে যেতে পারে।
সরকারিভাবে যে পরিমাণ বরাদ্ধ আসে এ বরাদ্ধ দিয়ে আরো ভালো মানের বাছুর কেনা সম্ভব ছিল।
সুফলভোগীরা আরো জানান, এতো ছোট বাছুরের বর্তমান বাজার মূল্য ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। সে হিসেবে ভ্যাট,ট্যাক্স সহ অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে ২০ হাজার টাকা করে হিসেব ধরলেও সরকারি বরাদ্দ মূল্য থেকে ( ১০ হাজার দ্ধ ১৬ বকনা বাছুর= ১ লাখ ৬০ হাজার) টাকা কারসাজি হয়েছে বলে অনুমেয়।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহাদ হাসান জানান, প্রতিটি বকনা বাছুর ক্রয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সক্ষমতা অনুযায়ী চেষ্টা করেছি।
নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এতো কম দামে গরুর বাছুর পাওয়া যায় না। সুবিধাভোগীরা শুধু বললে তো হবেনা। তবুও আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখতেছি।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে অন্যান্য ইউনিয়নসমূহের সুফল ভোগীদের মাঝে যে বকনা বাছুর দেওয়া হয়েছে সেইসবেও কারসাজির খোঁজ পাওয়া গেছে।
আপনার মতামত লিখুন :