• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় একটি রাজনৈতিক দল দেশের স্বাধীনতা চায়নি: খায়ের ভূঁইয়া

ফয়সাল কবির, লক্ষ্মীপুর :
বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, আজকে প্রায় ৫৩ বছরে অতিবাহিত হয়েছে বাংলাদেশ স্বাধীনের। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি। তারা এটার বিরোধীতা করেছে। শুধু বিরোধীতা করেই ক্ষান্ত হয়নি, পাকিস্তানিদের সহায়তা করেছে। আমাদের দেশের দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত-সম্মানহানি করার জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম যুদ্ধ করতে গিয়ে ৩০ লক্ষ লোক শাহাদাত বরণ করেছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের উঠান বৈঠক প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  খায়ের ভূঁইয়া বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সবচেয়ে বেশি সাফারার হয়েছেন। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ যখন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, এরপর অন্য আর্মি অফিসারদের সাথে তিনি যুদ্ধে চলে যান। সেদিন তিনি তার দুই শিশুপুত্র ও আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে একা রেখে যুদ্ধের ময়দানে চলে গেছেন। জনগণের স্বার্থে দেশকে স্বাধীন করার জন্য হয়তোবা সেদিন শাহাদাত বরণ করতেন। অথবা তার স্ত্রী-সন্তান শাহাদাত বরণ করতো। আল্লাহ তায়ালা তাদের রক্ষা করেছেন। কিন্তু যারা এ যুদ্ধের বিরোধীতা করেছে, যারা এদেশের মানুষের মানসম্মান, ইজ্জত নষ্ট করেছে, তারা আজকে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত শুরু করেছে। তারা নতুন করে একটা ইসলাম বাহির করেছে। সে ইসলামে বলা আছে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেস্তে যাওয়া যাবে। তারা গ্রাম-গঞ্জের মা-বোনদের ভুলভাল বুঝাচ্ছে। এমন কোন কথা কোরআন হাদিসে নাই, দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দিলে বেহেস্তে যাওয়া যাবে। জামায়াত ইসলাম করলে মানুষ বেহেস্তে যাবে। এটা মানুষকে ধোকা দেওয়া।

তিনি বলেন, এদেশের মানুষ যখন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছে, বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। মা-বোনেরা, চাচা-চাচী, দাদা-দাদীরা দলে দলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন। কারণ নির্বাচনের পূর্বে আমরা জনগণের কাছে কিছু প্রতিশ্রুতি দিই, ক্ষমতায় গেলে কি কি কাজ করবো। ইউনিয়ন মহিলা দলের আয়োজনে কামান খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে মহিলা দলের সভাপতি ফাতেমা আক্তার ঝর্ণা সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান সোহেল, সদর উপজেলা (পশ্চিম) বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন পাটওয়ারী বিটু, জামাল হোসাইন, ভুট্টু চৌধুরী, রাব্বি এলাহি জহির, হাসান আলী মিলন, নিজাম উদ্দিন, জাকির হোসেন, আব্দুল রহমান, টুটু পাটোয়ারী, তানভীর হাসান প্রমুখ।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর