• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২৬

উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে মারধরের অভিযোগে কারাগারে শিক্ষক

ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোহাম্মদ সায়েম উল্যাহকে(৪৬) মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মমারিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আতিকুল ইসলাম বাদলকে(৪৬) কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এঘটনায় ভুক্তভোগী সায়েম উল্যাহ বাদী হয়ে গত ৫ এপ্রিল ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দাগনভূঞা আমলী আদালতে সংশ্লিষ্ট আইনে আতিকুল ইসলাম বাদল ও তার সহোদর নজরুল ইসলাম দুলালকে আসামী করে মামলা করেন।

জানা গেছে, আদালত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় নালিশী দরখাস্তটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা রুজু করার আদেশ দেন। দরখাস্তটি ৩ দিনের মধ্যে এফআইআর রুজু করে ৫ দিনের মধ্যে আদালতকে অবহিত করার জন্য দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ প্রদান করেন। তদপ্রেক্ষিতে দাগনভূঞা থানা তা গ্রহণ করে গত ১৪ এপ্রিল নথিভুক্ত করে। পরে গত ১৯ এপ্রিল মামলার প্রধান আসামী আতিকুল ইসলাম বাদল আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী মোঃ সায়েম উল্যাহ জানান, গত ৭ই মার্চ সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের আলমপুর এলাকায় আমাদের মালিকানাধীন হাজেরা খাঁ দীঘি থেকে অপরাপর অংশীদারদের নিয়ে বেড় জাল দিয়ে মাছ ধরে বাড়িতে নিয়ে আসি। কিছুক্ষণ পর দিঘির মালিকানা দাবি করে আতিকুল ইসলাম বাদল ও তার সহোদর নজরুল ইসলাম দুলাল মাছগুলো আমার বসতঘরের ভিতর থেকে ছিনিয়ে নেয়ার জন্য ধস্তাধস্তি করে। বাধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। একপর্যায়ে আমাকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এতে আমার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে হাড় ভেঙ্গে যায়। আমার বয়োবৃদ্ধ পিতা সিরাজ উল্যাহ প্রতিবাদ করলে তাকেও আঘাত করে তারা। তারা আমাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এব্যাপারে জানতে চাইলে উক্ত মামলার অপর আসামী নজরুল ইসলাম দুলালের মুঠো ফোনে বারংবার ফোন করে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

  • . এর আরও খবর