
উপজেলা প্রতিনিধি, কোম্পানীগঞ্জ : কণ্ঠের মাধুর্য আর মেধার সমন্বয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা–২০২৬ এ চমক দেখিয়েছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের ১৩ বছর বয়সী কিশোর মো. মিরাজুল ইসলাম। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কয়েকশ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সে এখন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সিরাজপুর ৫নং ওয়ার্ডের বাইতুল কোরআন মাদ্রাসা কমপ্লেক্স ও এতিমখানার কৃতি শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলামের এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য পুরো উপজেলাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।
সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হাফেজ মিরাজুল ইসলাম বলে—”আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি ও ওস্তাদদের কঠোর পরিশ্রমের কারণেই আমি এই সাফল্য পেয়েছি। আমার স্বপ্ন হলো বিভাগীয় পর্যায়েও ভালো করা এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোরআনের আলো ছড়িয়ে দেশের সুনাম বয়ে আনা। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।”
”মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়,, মিরাজুল শুধু মেধাবীই নয়, বরং তার তিলাওয়াতের বিশেষ ঢং বিচারকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করে সে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নিজের অপ্রতিদ্বন্দ্বী মেধার প্রমাণ দিয়েছে।”
ছাত্রের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার সহপাঠী ও শিক্ষকরা। মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতী রাশেদুল ইসলাম ফরাজী বলেন, “মিরাজুলের এই অর্জন প্রমাণ করে যে, সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে আমাদের প্রান্তিক পর্যায়ের মাদ্রাসা থেকেও বিশ্বমানের হাফেজ তৈরি হওয়া সম্ভব। সে শুধু আমাদের মাদ্রাসা নয়, পুরো কোম্পানীগঞ্জকে নোয়াখালী জেলার বুকে সম্মানিত করেছে।”
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কাজী আবু ইউসুফ মোহাম্মদ ফারুক বলেন,“একটি আদর্শ দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার যে স্বপ্ন নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম, আজকের এই সাফল্য সেই স্বপ্ন পূরণের পথে একটি বড় ধাপ। আমরা মিরাজুলের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।”
আপনার মতামত লিখুন :