• ঢাকা
  • রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ৫ জুলাই, ২০২৬

মিশর ম্যাচের আগে বড় দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টিনা

মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে বড় দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টিনা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের কঠিন লড়াইয়ে দলের একাধিক ফুটবলার চরম শারীরিক ধকল ও পেশির সমস্যায় পড়েছেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচের আগে তাদের ফিটনেস নিয়েই এখন সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ স্কালোনি শিবিরে।

বামপ্রান্তের ডিফেন্ডার হিসেবে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া মেদিনাকে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে তুলে নিতে হয়। ক্লান্তিতে মাঠেই শরীর টানটান হয়ে পড়েন তিনি। স্কালোনি আর বদলি করতে না চাইলেও পরিস্থিতির কারণে তাকে মাঠ ছাড়াতে বাধ্য হন। তবে এটি গুরুতর চোট নয়, পেশিতে টান ধরার সমস্যাই ছিল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ডিফেন্ডার ফাকুন্দো মেদিনার শারীরিক অবস্থা নিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘ক্র্যাম্প নিয়েই সে খেলা শেষ করেছে।’

মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজও ম্যাচজুড়ে ক্র্যাম্পে ভুগেছেন। অতিরিক্ত সময়ে একাধিকবার তাকে মাঠেই স্ট্রেচিং করতে দেখা যায়। আর্জেন্টিনার আর কোনো বদলির সুযোগ না থাকায় পুরো ম্যাচ খেলতে হয় তাকে। বর্তমানে তিনি সুস্থ থাকলেও শারীরিকভাবে বেশ ক্লান্ত।

তালিকায় রয়েছেন নিকোলাস গঞ্জালেজও। দ্বিতীয়ার্ধের ১৯তম মিনিটে থিয়াগো আলমাদার বদলি হিসেবে মাঠে নেমে আক্রমণে সক্রিয় ছিলেন তিনি। তবে এক পর্যায়ে ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়ায় তার বাম গোড়ালি মচকে যায়। তবুও কোনো সমস্যা ছাড়াই ম্যাচ শেষ করেন এই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ফুটবলার।

অন্যদিকে অধিনায়ক লিওনেল মেসি এবং মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার পুরো ম্যাচ খেলেছেন। অতিরিক্ত সময় শেষে দুজনকেই প্রচণ্ড ক্লান্ত দেখালেও তাদের কারও চোটের সমস্যা নেই। চিকিৎসক দলের পর্যবেক্ষণে তারা এখন মিশরের বিপক্ষে ম্যাচের আগে দ্রুত শক্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

এদিকে মিয়ামিতে আঘাত হানা প্রবল ঝড়ের কারণে দলের নির্ধারিত অনুশীলন বাতিল করা হয়। শনিবার মাঠে অনুশীলনের পরিবর্তে হোটেলের জিমেই সময় কাটিয়েছেন ফুটবলাররা। এখন কোচিং স্টাফের প্রধান লক্ষ্য খেলোয়াড়দের দ্রুত পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা।

বিশ্বকাপের সূচি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, এখন বিশ্রামের সময়। আমি জানি না বিশ্বকাপ কীভাবে আয়োজন করা হয়, কিন্তু আমরা ছয় দিন সময় পেয়েছিলাম, আর এখন হাতে আছে মাত্র সাড়ে তিন দিন। যখন আপনার সবচেয়ে বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন, তখনই আপনি সবচেয়ে কম বিশ্রাম পান। এটা বোঝা খুব কঠিন। সূচিটা ধীরে ধীরে এগোনো উচিত ছিল।

আরও পড়ুন