• ঢাকা
  • শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১২ জানুয়ারি, ২০২৪

সুবর্ণচরে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারে চারা রোপন উদ্বোধন

উপজেলা প্রতিনিধি, সুবর্ণচর : সুবর্ণচরে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বোরো ধানে সমলয়ে চাষাবাদের জন্য রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের কাজীর দোকান সংলগ্ন প্রান্তিক কৃষকদের নিয়ে এ চাষাবাদের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. কামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-আমিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শহিদুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুন অর রশীদ, সুবর্ণচর বিনা উপকেন্দ্রর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জুয়েল সরকার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ার শারমিন নাসরিন৷

এছাড়াও উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংবাদিকসহ শতাধিক সমলয়ে বোরোধান চাষীরা উপস্থিত ছিলেন৷

উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, এ রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের সাহায্য জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ, স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে এ কার্যক্রম কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। এতে শ্রমিক খরচ কম ও অল্প সময়ে জমিতে চারা রোপণ করা যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুন অর রশিদ জানান। এ অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ৫০ একর জমিতে ৫০ জন চাষীদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ব্লক প্রদর্শনীর মাধ্যমে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয় চাষাবাদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, স্বল্প জায়গায় উক্ত কৃষকের জন্য সাড়ে ৪ হাজার ছোট ছোট প্লাস্টিকের ধাতব বা ট্রেতে বীজতলা করা হয়। এ বীজ ২০-২২ দিনের মাথায় চারা রোপনের উপযুক্ত সময় হয়। এ চারা রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে তুলে জমিতে রোপণ করা যায়। এবং নিখুঁতভাবে সঠিক পরিমাপে ও দূরত্বে চারা রোপন সম্ভব হয়।

এতে শ্রমিক সংকট দূর হবে, এবং সময়, শ্রম, অর্থ ও পানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি জমিতে উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে একর প্রতি উৎপাদন খরচ কমবে প্রায় ৫০ ভাগ। শুধু তাই নয়, এই পদ্ধতিতে ফসলি জমিতে পোকা মাকড়ের বিস্তার রোধ, রোগ-বালাই দমন সহজ হবে। অন্যান্য ফসলের ১০-১৫ দিন আগে আধুনিক মেশিনের সাহায্যে ফলন কেটে ঘরে তুলতে পারবে এবং এ কার্যক্রম কৃষিক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে দাবী করেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন