• ঢাকা
  • শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬ এপ্রিল, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ৬ এপ্রিল, ২০২৪

সোনাইমুড়ীতে তীব্র গরম ও লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

উপজেলা প্রতিনিধি, সোনাইমুড়ী : প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের মধ্যে জেলাজুড়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। সকাল, দুপুর, বিকেল এমনকি মধ্যরাতেও হচ্ছে লোডশেডিং। তীব্র গরমের সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে অসহনীয় হয়ে উঠেছে সোনাইমুড়ী উপজেলা জনজীবন। সারাদিনে মাত্র কয়েকঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে বিভিন্ন এলাকায়। উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে।

বাকি সময়ে প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা এলাকার বাসিন্দাদের। প্রতি ঘন্টায় ৪ থেকে ৫ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করে সব মিলিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে উপজেলাবাসী জীবন।
তবে, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় শুধু যে মানুষের কষ্ট হচ্ছে, তা নয়। ব্যবসা বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অন্যান্য বছরের চেয়ে চলতি বছর গরমের তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। গরম আর অসহনীয় তাপে যেন শরীর পুড়ে যাবার অবস্থা প্রায়।

ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মানুষ। বিশেষ করে শিশু, নারী এবং বৃদ্ধরা তীব্র গরমে সীমাহীন কষ্ট পাচ্ছেন

লোডশেডিংয়ের বিষয়ে মো.কামাল নামে একজন বলেন, এর আগে কোন দিন এমন কষ্ট হয়নি। রাতের বেলা বিদ্যুৎ চলে গেলে বাচ্চারা গরমে কান্না শুরু করে দেয়। বাচ্চাদের সারা শরীর ঘামে ভিজে যায়। এভাবেই প্রতিদিন চলছে। আমরাতো বিদ্যুতের টাকা বাকি রাখি না, তাহলে এই লোডশেডিংয়ের দায় কার?

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরও একজন ভুক্তভোগী বলেন, প্রকৃতি এবং সরকার উভয়েই আমাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করছে। এই গরমে বেঁচে থাকাই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানিসংকটে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সক্ষমতার চেয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। ফলে দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। কিন্তু বিপিডিবির ঘাটতি হচ্ছে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত।তবে আবহাওয়া কিছুটা শীতল হলে চাহিদা কমবে এবং লোডশেডিংয়ের মাত্রাও কমে যাবে বলে জানান তিনি।

সোনাইমুড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল ম্যানেজার আলতাব গহর চৌধুরী বলেন,, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় এই লোডশেডিং হচ্ছে।একদিকে প্রচণ্ড তাবদাহ অপরদিকে রমজান মাস হওয়াতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে চাহিদা বেশ বেড়ে গেছে। এছাড়া চাহিদার সংকুলান না হওয়ায়, জাতীয় গ্রিড থেকেও মাঝে মধ্যে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

  • সোনাইমুড়ী এর আরও খবর